**World’s First Computer Bug
**
এখনকার দিনে যারা কম্পিউটার বা প্রোগ্রামিং সম্পর্কে আগ্রহী তারা সবাই Bug কথাটার সাথে পরিচিত, কিন্তু কখনো কী ভেবে দেখেছেন এই কথাটা আসলো কোথা থেকে? কম্পিউটারের সাথে পোকারই বা কী সম্পর্ক?
১৯৪০ এর দশক, বিশ্বে তখনো কম্পিউটার জিনিসটা প্রচলিত না। তাই তখনো চলছে এটা নিয়ে নানা গুঞ্জন এবং গবেষণা।
তেমনি একজন কম্পিউটার গবেষক **Grace Hopper**, একজন অসাধারন মেধাবী বিজ্ঞানী এবং কম্পিউটারের জাদুকর বলতে পারেন। তখন তিনি কাজ করছিলেন হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে **Mark II Aiken Relay Calculator** নামের একটি কম্পিউটার নিয়ে। এই বিশাল কম্পিউটারের সাইজ একটি ছোটখাটো রুমের সমান আর হাজার হাজার সুইচ, নানা মেশিনারিতে ভরা। তখনকার সময় দেখে মনেই হতে পারে একটা এলিয়েন টেকনলোজি।
এখন আসা যাক আসল ঘটনায়। ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭, কম্পিউটারটি হঠাৎ ঠিকমতো কাজ করা বন্ধ করে দেয়। সবাই এই বিষয় নিয়ে চিন্তিত হয়ে পরে, তখন গ্রেস আর তার সহকর্মী বিষয়টা তদন্তের দায়িত্ব নেয়। তারা সম্পূর্ণ মেশিনটা ডিসেম্বল করে এবং প্রতিটা পার্ট একটা একটা করে চেক করতে থাকে কী সমস্যা। আর তখনই তারা সেই আশ্চর্যকর জিনিসটা দেখতে পায়। একটি মথ পোকা যেটা হার্ডওয়্যারের সাথে লেগে ছিলো। আর এটাই কম্পিউটারে সমস্যা তৈরি করছিলো।
গ্রেস হপার সেই মথটিকে তুলে টেপ দিয়ে তার নোটবুকে লাগিয়ে রাখে আর একটি নোট লিখে রাখে **"First actual case of bug being found." **আর এটাকেই বিশ্বের সর্বপ্রথম কম্পিউটার বাগ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।
কিন্তু মজার ব্যাপার হচ্ছে টেকনিক্যাল এরর এর ক্ষেত্রে বাগ কথাটা প্রথম ব্যবহার করা হয়েছে আরো অনেক আগে **Thomas Edison** ১৮০০ সালের এর প্রথম দিকে। তিনি তার টেলিফোন ডিসাইনের প্রবলেম গুলো ব্যাখ্যা করার সময় একটি চিঠিতে এই "Bug" টার্মটা ব্যবহার করেন। সেটা কথাগুলো ছিলো এমন: *“You were partly correct, I did find a ‘bug’ in my apparatus, but it was not in the telephone proper. It was of the genus ‘callbellum.’ The insect appears to find conditions for its existence in all call apparatus of telephones.”*
তাই হপারকে "Bug" এর জনক ধরা হলেও প্রমাণ সাপেক্ষে এই কথাটা এই উদ্দেশ্যে প্রথম ব্যবহার করেন Thomas Edison।
